Thursday, 3 February 2022

Leucorrhoea বা সাদাস্রাব

 ➤লিউকোরিয়া (Leucorrhoea)  বা সাদাস্রাবঃ      


◑অস্বস্তির অারেক নাম লিউকোরিয়া বা সাদাস্রাব!
মেয়েদের  জননেন্দ্রিয়ে  স্বাভাবিক  আর্দ্রতা  বজায়  রাখার  জন্য যোনিপথে  একপ্রকার   তরলজাতীয়   পদার্থ   নির্গত হয়।   আর  এই তরল জাতীয় পদার্থ যখন কোনো কারনে মাত্রারিক্ত নির্গত হয় তখন তাকে লিউকোরিয়া বা সাদাস্রাব বলে! একে শ্বেতপ্রদর ও বলা হয়!
◑জেনে রাখুন, মেয়েদের  যে কোনো বয়সের যে কোনো সময় কম-বেশি সাদাস্রাব হতে পারে।  
এটি নারীদের পরিচিত ও সাধারণ একটি সমস্যা।   হোমিওপ্যাথি দর্শন অনুযায়ী, এটির সুচিকিৎসা হতে হয়। 
 ◑কারণ এটি কখনো মারাত্মক আকার ধারণ করে অনেক পীড়া এমন কি জরায়ুমুখে প্রথমে ঘা পরে ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি করেতে পারে।

☞কারণঃ


◑শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাবের কমন একটি কারণ হচ্ছে ফাঙ্গাল ইনফেকশন। ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলে স্রাব দুধের ছানার মত সাদা চাপ চাপ আকারে বের হয় এবং যোনিতে প্রচণ্ড চুলকানি হয়।
◑শরীরিক বিভিন্ন পরিবর্তন, হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন, প্রাপ্ত বয়সে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণের সময়, হস্তমৈুন বা মাস্টারবেশন (অভুলেশন), গর্ভাবস্থায়,অনিয়মিত মাসিক, মাসিক একবারে বন্ধ, মাসিকের সময় ঋতুস্রাব কমে গেলে, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত সহবাসের কারনে!
◑অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, দুর্বল স্বাস্থ্য, অপুষ্টি, ভিটামিন, প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের অভাব, রক্তশূন্যতা, কিডনির রোগ, যক্ষ্মা, ক্লোরোসিস, হৃদপিণ্ড বা ফুসফুসের কোনো পীড়ায় রক্ত সঞ্চালনে! পুষ্টিকর ও ভিটামিন জাতীয় খাবারের অভাবেও সাদাস্রাব হয়ে থাকে!


☞লক্ষণঃ


◑পীড়া আরম্ভর পূর্বে কারো কারো প্রথমে কোমড়ে ও কুচকির স্থানে টেনে ধরার মত এক প্রকার ব্যথা, তলপেট ভারী ও প্রস্রাব অল্প পরিমাণে হতে পারে।
◑প্রস্রাবে কোথানী থাকে, তলপেটে চাপ দিলে ব্যথা লাগে, সামান্য জ্বর জ্বর ভাবও থাকতে পারে।এই অবস্থাা প্রকাশ হওয়ার ৩-৪ দিন পরে জরায়ু থেকে স্রাব নির্গত হয়।
◑স্রাব প্রথমে তরল,স্বচ্ছ ও আঠারমত চটচটে থাকে (দেখতে ঠিক ডিমের লালা বা শ্বেতাংশের মত),পরে ক্রমশঃ ঘন ও পুযেঁরমত হয়।
◑প্রথম দিন থেকে ৬-৭ দিনের মধ্যে জ্বর-জ্বর ভাবসহ স্রাবের পরিমাণ কমে গিয়ে সমস্যাটি প্রাকৃতিকভাবেই সেরে যায়।  
◑আবার কারো কারো ক্ষেত্রে পীড়াটি দীর্ঘদিন চলতে থাকে।এটি সবুজ, রক্ত মিশ্রিত, চাল ধোয়া পানির মত-হলদে,!
◑হলদে-সবুজ মিশ্রিত,পনিরেরমত, দুধের মত সাদা, ভাতের মারের মত সাদা, কখনো তরল (তরুণ সর্দির মত), কখনো গাঢ় ইত্যাদি প্রকারের স্রাব নির্গত হতে পারে।
◑আবার কিছু স্রাবের কারণে যোনিদ্বার চুলকায়, ঘা হয় ও জ্বালা করে। এই স্রাব মাসিক হওয়ার পূর্বে ও পরে বা যে কোনও সময় হতে পারে।
 ◑যৌনসংক্রামক  রোগ বা জীবাণু সংক্রমণের  দ্বারা সাদাস্রাব হলে তার প্রাথমিক প্রধাণ লক্ষণ হচ্ছে,
অতিরিক্ত  পরিমাণে সাদাস্রাব হওয়া,  দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া এবং  যৌনাঙ্গে চুলকানি বা অন্যান্য উপসর্গ  দেখা দেওয়া।


 ✅হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এই রোগ ভালো হয়।


◑লিউকোরিয়াতে ব্যবহৃত কিছু হোমিও ঔষধঃ

•Sepia,
•Kreosote
•Alumina
•Borax
•pulsatilla
•platina
•Ammon Carb


🚫ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করবেন না।❌

Leucorrhoea  বা সাদাস্রাব    


Wednesday, 2 February 2022

এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা

ANEMIA


এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা বিশ্বের প্রায়
 চার ভাগের এক ভাগ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতায় ভোগেন। বাংলাদেশে এর হার আরো বেশি।
 এনিমিয়া মানে শরীরের পুরো রক্ত কমে যাওয়া নয়। এনিমিয়া হলো-- শরীরে রক্তের পরিমান কম বা
রক্তস্বল্পতা।
এনিমিয়া  বা রক্তস্বল্পতায় মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারন হলো গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিজনিত এনিমিয়া।
রক্তের একটি বিশেষ উপাদান হলো- লোহিত রক্তকণিকা বা আরবিসি। লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি বিশেষ ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের সব কোষকে উজ্জীবিত রাখে এবং প্রতিটি কোষের বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
এই হিমোগ্লোবিন বয়স ও লিঙ্গভেদে যখন স্বাভাবিক মাত্রার নিচে নেমে যায় তখন তাকে এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা বলে। এনিমিয়ায় হিমোগ্লোবিন নিজেই কমে যেতে পারে অথবা পুরো লোহিত কণিকাই সংখ্যায় কমে যেতে পারে।


◑◑বিভিন্ন "কারনে" এনিমিয়া হতে পারে


১◑ রক্তের লোহিত কণিকার
উৎপাদনজনিত সমস্যার কারণেঃ


কঃ আয়রনের ঘাটতিজনিত এনিমিয়া।
খঃ ভিটামিন-বি, ফলিক এসিডের ঘাটতিজনিত এনিমিয়া।
গঃ অস্থিমজ্জার উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হলে এনিমিয়া হয়ে থাকে।
 ঘঃ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি অসুখের জন্য।  যেমন—কিডনি বিকল, লিভার বিকল, থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি।
ঙঃ ক্যান্সার জনিত কারনে এনিমিয়া  হয়ে থাকে।


২◑ রক্তের লোহিত কণিকা দ্রুত ভেঙে যাওয়ার কারনেঃ


কঃ জন্মগত কারন। যেমন—থ্যালাসেমিয়া।
খঃ বিশেষ কিছু ইনফেকশনের কারন। যেমন—ম্যালেরিয়া,নিউমোনিয়া টাইফয়েড ।
গঃ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কমের জন্য এনিমিয়া হতে পারে।


৩◑ রক্তক্ষরণজনিত কারনেঃ


কঃ কৃমি,পেপটিকআলসার,দীর্ঘমেয়াদি ব্যথারওষুধ,পাইলস,অতিরিক্ত ঋতুস্রাব।


খঃ দুর্ঘটনাজনিত হঠাৎ রক্তক্ষরণ।


 ◑◑ লক্ষণ গুলো হলোঃ 


কঃ দুর্বল লাগা,অবসাদগ্রস্ততা,ক্লান্তি,
বমি ভাব,শ্বাস নিতে অসুবিধা।
খঃ  বুক ধড়ফড় করা, বুকে ব্যাথা হওয়া, মাথা ঘোরা, মাথাধরা,ক্ষুধামন্দা।
 
 গঃ চোখে ঝাপসা দেখা, চোখ ও  হাত-পা ফ্যাকাসে  হয়ে যাওয়া।
 ঘঃ হাত-পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা অবশ লাগা এবং ঠান্ডা হয়ে যাওয়া( গরম কালেও)।
 ঙঃ  মুখে ঘা,খাবার গিলতেঅসুবিধা।
এনিমিয়া আসলে কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। যে কারণে এনিমিয়া হয়েছে সেটি শনাক্ত করে সে অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়াই এনিমিয়ার মূল চিকিৎসা।
 এ জন্য কখনো কখনো অনেকে অন্যের রক্ত দিতে / নিয়ে থাকি।দয়া করে এ কাজটি না করা উওম।
থ্যালাসেমিয়ায় আবার উল্টো। আয়রন বেশি আছে এমন খাবার এড়িয়ে চলতে হয়।  কৃমির, পাইলস বা অতিরিক্ত ঋতুস্রাবের সমস্যা থাকলে সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।



ANEMIA

Tuesday, 1 February 2022

কিভাবে মায়াজমকে চিনব

প্রশ্ন ছিল কিভাবে মায়াজমকে চিনব ---


লেখক: ডাঃ অশ্রু কণা চৌধুরী
এম.এ, ডি. এইচ.এম.এস (ঢাকা), বি, এইচ.বি (ঢাকা)
লেকচারার,
ডাঃ জাকির হোসেন সিটি কর্পোরেশন
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

ডাঃ অশ্রু কণা চৌধুরী 


আমি যদি প্রথমে সোরার কথা বলি, তাহলে বলব,কু'-চিন্তার প্রভাবেই এ সোরার উৎপত্তি।অর্থাৎ,সোরার কাজ হচ্ছে আমাদের নির্মল চিত্তে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি  করে আমাদের জ্ঞানশক্তি,বোধশক্তি এবং ইচ্ছাশক্তিকে দূষিত করে সেই লক্ষ্যে কাজ করতে বাধ্য করা।
এবং সোরার বিকাশ -- খোস,পাঁচড়া এবং সুখকর চুলকানিতে।যা দিয়ে সোরাকে সহজে চিনতে পারা যায়।
সোরাকে আরও চেনার জন্য একটি বাক্যই যথেষ্ট।সোরা 'মুখোশ পরা এক দার্শনিক '।অর্থাৎ ধর্ম বিষয়ে ভন্ডামীপূর্ণ দার্শনিকতার ভান সোরাদুষ্ট মনের এক বিশেষ পরিচয়(অর্গানন সূত্র নং -৮০)।
কু-কর্মের প্রভাবেই সাইকোসিস এর উৎপত্তি।যেমন-অবৈধ বা দূষিত যৌন সংসর্গে গণোরিয়ার বীজ মানবদেহে সংক্রমিত হয়ে সে রোগবিষ রোগীর ধাতুতে নিবিড়ভাবে মিশে গিয়ে বিচিত্র লক্ষণাদি প্রকাশ করে (সূত্র নং-৭৯)।
যৌনাঙ্গে ফুলকপির মত উপমাংস বা আঁচিল সদৃশ উদ্ভেদ।মূত্রনালিতে জ্বালা এবং ব্যাথাসহ রক্ত যাওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে সহজেই এ মায়াজমকে চিনতে পারা যায়।এছাড়া মুখ গহ্বর,জিহ্বা,তালু,ওষ্ঠ  প্রভৃতিতে সাদা বর্ণের ছিদ্রযুক্ত,স্পর্শকাতর সামান্য উঁচু সমতল উপবৃদ্ধি এবং বগল,ঘাড়,মস্তক প্রভৃতি স্হানে ছোট ছোট ডুমুরাকৃতি অর্বুদ বা আঁচিল দিয়ে ও এ মায়াজমকে সনাক্ত করা যায়।
সাইকোসিসের চরিত্র  হিংসুটে,সন্দেহ পরায়ন,প্রতিহিংসা পরায়ন,গোপন স্বভাবের,খিটখিটে এবং নিষ্ঠুর প্রকৃতির।
                                           (পর্ব - ২)
আসছি পরবর্তী পর্ব নিয়ে।সে পর্যন্ত না হয় থাকলেন আমার সাথে। ধন্যবাদ।

Melasma Treatment in Banshkhali | Homeopathic Skin Care | Maa Homeo Pharmacy

  🌼 Melasma Treatment in Banshkhali | Maa Homeo Pharmacy আপনি কি মেছতা (Melasma) বা মুখের কালো দাগ নিয়ে চিন্তিত? মুখের ত্বকে বাদামী বা ক...